ঈদ উত্সব, ঈদের আনন্দ এবং ঈদের আমল শুধু পুরুষদের জন্যই নয়; বরং এসবে সমানভাবে নারীরাও অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ঘরে আসে ‘ঈদুল ফিতর’ বা আনন্দের ঈদ। মুমিন মুসলমানের জীবনে নেমে আসে এক পূতপবিত্র আনন্দের পরশ। সিয়াম সাধনার পর আনন্দ করাটাই স্বাভাবিক। তবে তা অবশ্যই হতে হবে ইসলামী শরিয়তের গণ্ডির ভেতরে থেকে। ঈদের আনন্দে নারীদের সম্পৃক্তি একটি অপরিহার্য বিষয়। ঈদের দিন নারীদের দায়িত্ব পুরুষদের তুলনায় একটু বেশি। পরিবারের রান্নাবান্না, ছেলেমেয়েদের গোসল, তাদের সাজগোজ সবই তাদের করতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সঙ্গে তার নিজের জন্যও এ কাজগুলো সারতে হয়। এতসব সত্ত্বেও নারীকে ঈদের আমল ছেড়ে দিলে চলবে না। খুব সকালে উঠে প্রথমে যথাসময়ে ফজরের নামাজ আদায় করে নিতে হবে। পারিবারিক ঝামেলামুক্ত হয়ে নিজেও আতর সুগন্ধি ব্যবহার করবেন। ফিতরা ওয়াজিব হলে ফিতরা আদায় এবং দান-খয়রাত করতে হবে। নারীদের জন্য ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। যদি নামাজ আদায়ের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ঈদগাহে থাকে তবে তারাও নামাজ আদায় করতে পারেন। ঈদের আনন্দ ও ভালোবাসা পরিবারের মধ্যে বিলিয়ে দিতে পারেন একজন সফল নারী। নারীরা তাদের আমলটুকু সুন্দর ও পরিচ্ছন্নভাবে পালন করলেই গোটা সমাজ ব্যবস্থা হবে সুশৃঙ্খল। সুতরাং ঘরকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করা একজন দায়িত্বশীল নারীর প্রধান কাজ।
বিপ্লবী ইসলামী সাহিত্য সৃষ্টি: বিশ্বব্যপী ইসলামী পূণর্জাগরণে এর অসাধারণ
অবদান
-
- শাহাদাতুর রহমান সোহেল
জামায়াতে ইসলামী রচিত বিপুল ইসলামী সাহিত্য ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ, বাস্তব সম্মত,
চিরকালীন ও অত্যাধুনিক এবং আধুনিক সকল অন্যান্য মতবা...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন